হাসতে চাইলে হাসুন, না চাইলেও হাসুন : ২৫টি মজার কৌতুক
১#
এক লোক মিনারেল ওয়াটার কিনল। তারপর দোকানিকে বলল
—ফ্রিটা দেবেন না?
—মিনারেল ওয়াটারের সাথে ফ্রি কিছু নাই।
—আমাকে বোকা পেয়েছেন? এই যে বোতলের গায়ে লেখা আছে ‘আর্সেনিক ফ্রি’।
এক লোক মিনারেল ওয়াটার কিনল। তারপর দোকানিকে বলল
—ফ্রিটা দেবেন না?
—মিনারেল ওয়াটারের সাথে ফ্রি কিছু নাই।
—আমাকে বোকা পেয়েছেন? এই যে বোতলের গায়ে লেখা আছে ‘আর্সেনিক ফ্রি’।
২#
এক রাজনৈতিক নেতা এক দামি রেস্টুরেন্টে খেতে গেছে। একপর্যায়ে শেফ এসে জিজ্ঞেস করলো-
এক রাজনৈতিক নেতা এক দামি রেস্টুরেন্টে খেতে গেছে। একপর্যায়ে শেফ এসে জিজ্ঞেস করলো-
—স্যার, আলু-মাংসের ডিশটা কেমন লেগেছে?
—কিভাবে বলি? এই ডিশে ছিল আলুর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আর মাংস ছিল দুর্বল বিরোধী দলের মতো।
—কিভাবে বলি? এই ডিশে ছিল আলুর নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা আর মাংস ছিল দুর্বল বিরোধী দলের মতো।
৩#
—যে কখনো বই লেখেনি তার বইয়ের সমালোচনা করা উচিত নয়।
—ভুল কথা।
—কেন?
—আমি কখনো ডিম পাড়িনি বলে অমলেটের ভালোমন্দ বলতে পারব না?
—যে কখনো বই লেখেনি তার বইয়ের সমালোচনা করা উচিত নয়।
—ভুল কথা।
—কেন?
—আমি কখনো ডিম পাড়িনি বলে অমলেটের ভালোমন্দ বলতে পারব না?
৪#
এক বিখ্যাত নেতা (নাম বললে চাকরি থাকবে না), একবার ছোটবেলায় সিগারেট খেতে গিয়ে মার কাছে ধরা খান।
তারপর মাকে কথা দেন জীবনে আর কখনো ধূমপান করবেন না।
—এরপর পরবর্তী জীবনে দেশের জনগণকে তিনি শত শত প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু পালন করেছেন শুধু মাকে দেওয়া
প্রতিশ্রুতিটা।
এক বিখ্যাত নেতা (নাম বললে চাকরি থাকবে না), একবার ছোটবেলায় সিগারেট খেতে গিয়ে মার কাছে ধরা খান।
তারপর মাকে কথা দেন জীবনে আর কখনো ধূমপান করবেন না।
—এরপর পরবর্তী জীবনে দেশের জনগণকে তিনি শত শত প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, কিন্তু পালন করেছেন শুধু মাকে দেওয়া
প্রতিশ্রুতিটা।
৫#
—সক্রেটিস নিরক্ষর ছিলেন, হোমারও নিরক্ষর ছিলেন। তবে নিরক্ষর সমালোচক পৃথিবীর কখনই ছিল না।
—মানে কী দাঁড়াচ্ছে?
—হোমার বা সক্রেটিস হওয়ার চেয়ে নিম্নমানের সমালোচক হওয়া কঠিন।
—সক্রেটিস নিরক্ষর ছিলেন, হোমারও নিরক্ষর ছিলেন। তবে নিরক্ষর সমালোচক পৃথিবীর কখনই ছিল না।
—মানে কী দাঁড়াচ্ছে?
—হোমার বা সক্রেটিস হওয়ার চেয়ে নিম্নমানের সমালোচক হওয়া কঠিন।
৬#
সমুদ্রে ডুবে যাচ্ছে এক মহিলা। ছুটে গেল তার এক বান্ধবী। চেঁচিয়ে এক লোককে বললো-
সমুদ্রে ডুবে যাচ্ছে এক মহিলা। ছুটে গেল তার এক বান্ধবী। চেঁচিয়ে এক লোককে বললো-
—জলদি আসুন আমার বান্ধবী ডুবে যাচ্ছে।
—ইস, একটু আগে বলতেন, এই মাত্র আমার ক্যামেরার ফিল্মটা শেষ হয়ে গেল।
—ইস, একটু আগে বলতেন, এই মাত্র আমার ক্যামেরার ফিল্মটা শেষ হয়ে গেল।
৭#
কুকুর আর মুরগির মধ্যে কথা হচ্ছে
কুকুর আর মুরগির মধ্যে কথা হচ্ছে
কুকুর : আমাদের মালিকের ছেলের বিয়ে কাল, কত মজা হবে। কত মানুষ খাবে, কত হাড়-হাড্ডি ফেলে দিবে...
মুরগি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, ‘হ্যাঁ’।
মুরগি দীর্ঘশ্বাস ফেলে বলল, ‘হ্যাঁ’।
৮#
এক লোক জুতা কিনতে গেছে। দোকানদার একটা জুতা দেখালো।
এক লোক জুতা কিনতে গেছে। দোকানদার একটা জুতা দেখালো।
—এটা কত?
—আটশ।
—আরে নারে ভাই, এত দামি জুতা না। কমের মধ্যে দেখান।
—কত কম?
—এই ধরেন একশ দেড়শ।
—তা হলে আপনার বগলের মাপটা দিন।
—বগলের মাপ কেন?
—বাহ্, একশ-দেড়শ টাকার জুতা কি আর পায়ে দিতে পারবেন? বগলে নিয়েই ঘুরতে হবে।
—আটশ।
—আরে নারে ভাই, এত দামি জুতা না। কমের মধ্যে দেখান।
—কত কম?
—এই ধরেন একশ দেড়শ।
—তা হলে আপনার বগলের মাপটা দিন।
—বগলের মাপ কেন?
—বাহ্, একশ-দেড়শ টাকার জুতা কি আর পায়ে দিতে পারবেন? বগলে নিয়েই ঘুরতে হবে।
৯#
স্ত্রী : ওগো আর পারছি না, তোমার এই সংসার আমার পক্ষে চালানো সম্ভব নয়।
স্বামী : আরে ভাবছ কেন আর চিন্তা নেই। টাকা-পয়সার সমস্যা সলভড।
—মানে কিভাবে?
—তোমাকে না বলে একটা কাজ করেছি। তোমার বাক্স থেকে তোমার নকল হিরের নেকলেসটা ভালো দামে বিক্রি করে দিয়েছি। হে হে...
—কী বলছ? নকল হিরের নেকলেস তো আমার গলায়!
স্ত্রী : ওগো আর পারছি না, তোমার এই সংসার আমার পক্ষে চালানো সম্ভব নয়।
স্বামী : আরে ভাবছ কেন আর চিন্তা নেই। টাকা-পয়সার সমস্যা সলভড।
—মানে কিভাবে?
—তোমাকে না বলে একটা কাজ করেছি। তোমার বাক্স থেকে তোমার নকল হিরের নেকলেসটা ভালো দামে বিক্রি করে দিয়েছি। হে হে...
—কী বলছ? নকল হিরের নেকলেস তো আমার গলায়!
১০#
জাহাজের ক্যাপ্টেন এক যাত্রীর সঙ্গে কথা বলছে।
জাহাজের ক্যাপ্টেন এক যাত্রীর সঙ্গে কথা বলছে।
—আপনি শুধু শুধু ভয় পাচ্ছেন। এই সমুদ্রের নিচে কোথায় কোথায় শত শত ছোট-বড় পাহাড় আছে সব আমার জানা। বিশ বছর ধরে জাহাজ চালাচ্ছি।
এ সময় কিছু একটায় ধাক্কা খেয়ে জাহাজটা ভয়ানকভাবে কেঁপে উঠল।
ক্যাপ্টেন—(খুশি) এই হলো এক নম্বর!
এ সময় কিছু একটায় ধাক্কা খেয়ে জাহাজটা ভয়ানকভাবে কেঁপে উঠল।
ক্যাপ্টেন—(খুশি) এই হলো এক নম্বর!
১১#
—দেখুন, ঘুমাবার জন্য এ অষুধটা আর খাবেন না, তা হলে কিন্তু অভ্যাস হয়ে যাবে।
—কী বলছেন, বিশ বছর ধরে খাচ্ছি, অভ্যাস তো হয়নি!
—দেখুন, ঘুমাবার জন্য এ অষুধটা আর খাবেন না, তা হলে কিন্তু অভ্যাস হয়ে যাবে।
—কী বলছেন, বিশ বছর ধরে খাচ্ছি, অভ্যাস তো হয়নি!
১২#
—আমার বউ কাল রাতে আমার পকেট সার্চ করেছে।
—তাতে তুই নিশ্চয়ই খেপেছিস?
—আমি না, ও খেপেছে।
—কেন?
—কিছু পায়নি।
—আমার বউ কাল রাতে আমার পকেট সার্চ করেছে।
—তাতে তুই নিশ্চয়ই খেপেছিস?
—আমি না, ও খেপেছে।
—কেন?
—কিছু পায়নি।
১৩#
এক লোক ডাক্তারদের উপর আস্থা হারিয়ে নিজেই ডাক্তারি বইপত্র কিনে পড়াশুনা করে নিজের রোগ নির্ণয় করে একটা প্রেসক্রিপশন বানিয়ে ফার্মেসিতে গেল অষুধ কিনতে। ফার্মেসির কম্পাউন্ডার প্রেসক্রিপশন পড়ে বললো
—কুকুরটা খুব রোগা বোধ হয়?
এক লোক ডাক্তারদের উপর আস্থা হারিয়ে নিজেই ডাক্তারি বইপত্র কিনে পড়াশুনা করে নিজের রোগ নির্ণয় করে একটা প্রেসক্রিপশন বানিয়ে ফার্মেসিতে গেল অষুধ কিনতে। ফার্মেসির কম্পাউন্ডার প্রেসক্রিপশন পড়ে বললো
—কুকুরটা খুব রোগা বোধ হয়?
১৪#
এক তরুণ এক বৃদ্ধকে বলছে
—চাচা দেশের অবস্থা কেমন বুঝছেন?
—ব্রিটিশ আমলে দেখছি শোষণ, পাক আমলে দেখছি শাসন আর এখন দেখতাছি খালি ভাষণ...
এক তরুণ এক বৃদ্ধকে বলছে
—চাচা দেশের অবস্থা কেমন বুঝছেন?
—ব্রিটিশ আমলে দেখছি শোষণ, পাক আমলে দেখছি শাসন আর এখন দেখতাছি খালি ভাষণ...
১৫#
আচ্ছা ইঁদুররা যদি বিপ্লবের ডাক দেয় তা হলে তাদের ইস্যু কী হবে?
—কী হবে?
—পেনড্রাইভের বিরুদ্ধে।
—কেন?
—সব বইপুস্তক যে এখন পেনড্রাইভে চলাচল করে!
আচ্ছা ইঁদুররা যদি বিপ্লবের ডাক দেয় তা হলে তাদের ইস্যু কী হবে?
—কী হবে?
—পেনড্রাইভের বিরুদ্ধে।
—কেন?
—সব বইপুস্তক যে এখন পেনড্রাইভে চলাচল করে!
১৬#
—মাইক টাইসন আর ভ্যানগগের যদি বক্সিং খেলা হতো তা হলে কী হতো?
—কী হতো?
—ভ্যানগগ জীবনে চশমা পরতে পারতেন না।
—মাইক টাইসন আর ভ্যানগগের যদি বক্সিং খেলা হতো তা হলে কী হতো?
—কী হতো?
—ভ্যানগগ জীবনে চশমা পরতে পারতেন না।
১৭#
—তোমার ঘোড়া তো ভালো দৌড়াল। ওকে আগে রেসে আনলে না কেন?
—ও এত জোরে দৌড়ায় যে গতকালই ওকে ধরতে পারলাম।
—তোমার ঘোড়া তো ভালো দৌড়াল। ওকে আগে রেসে আনলে না কেন?
—ও এত জোরে দৌড়ায় যে গতকালই ওকে ধরতে পারলাম।
১৮#
এক গরিব লোকের বাড়িতে চোর ঢুকল। কিছু না পেয়ে চলে যাচ্ছে, তখন গরিব লোকটা বললো-
—ভাই দরজা বন্ধ করে দিয়ে যান।
—দরকার নাই, আর কেউ ঢুকবে না।
এক গরিব লোকের বাড়িতে চোর ঢুকল। কিছু না পেয়ে চলে যাচ্ছে, তখন গরিব লোকটা বললো-
—ভাই দরজা বন্ধ করে দিয়ে যান।
—দরকার নাই, আর কেউ ঢুকবে না।
১৯#
দুই আমেরিকান কথা বলছে। একজন সিরিয়াস রেসিস্ট, দুনিয়ার খোঁজখবর খুব একটা রাখে না।
—জানো, আমাদের প্রেসিডেন্ট যে একজন ব্ল্যাক?
—ধুৎ কে বলেছে? রেসিস্ট প্রতিবাদ করলো।
—কেন সবাই জানে।
—ধুর ধুর মিথ্যা কথা।
—এই যে দ্যাখ... (এই বলে সে হোয়াইট হাউজে ওবামার ছবি দেখালো)
—আরে তাই তো দেখছি... ওর মনিব তা হলে নিশ্চয়ই ওকে নিয়ে খুব গর্ব করে?
দুই আমেরিকান কথা বলছে। একজন সিরিয়াস রেসিস্ট, দুনিয়ার খোঁজখবর খুব একটা রাখে না।
—জানো, আমাদের প্রেসিডেন্ট যে একজন ব্ল্যাক?
—ধুৎ কে বলেছে? রেসিস্ট প্রতিবাদ করলো।
—কেন সবাই জানে।
—ধুর ধুর মিথ্যা কথা।
—এই যে দ্যাখ... (এই বলে সে হোয়াইট হাউজে ওবামার ছবি দেখালো)
—আরে তাই তো দেখছি... ওর মনিব তা হলে নিশ্চয়ই ওকে নিয়ে খুব গর্ব করে?
২০#
—দেখুন লবণপানিতে কুলি করার অভ্যাস আছে আপনার?
—অবশ্যই, জাহাজে চাকরি করি। সাতবার জাহাজডুবি হয়েছে আমার।
—দেখুন লবণপানিতে কুলি করার অভ্যাস আছে আপনার?
—অবশ্যই, জাহাজে চাকরি করি। সাতবার জাহাজডুবি হয়েছে আমার।
২১#
—পৃথিবীতে জন্ম নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকরী পদ্ধতি কী জানিস?
—না, আমি জানি না।
—সেটাই... কেউ জানে না।
—পৃথিবীতে জন্ম নিয়ন্ত্রণের সবচেয়ে কার্যকরী পদ্ধতি কী জানিস?
—না, আমি জানি না।
—সেটাই... কেউ জানে না।
২২#
—ক্ল্যাসিক বই কাকে বলে বল তো?
—কাকে?
—যে বইয়ের সবাই প্রশংসা করে, কিন্তু কেউ পড়ে না।
—ক্ল্যাসিক বই কাকে বলে বল তো?
—কাকে?
—যে বইয়ের সবাই প্রশংসা করে, কিন্তু কেউ পড়ে না।
২৩#
ঘড়ির দোকানের কর্মচারীর হাত থেকে একটা দামি ঘড়ি পড়ে গেল মেঝেতে। সেটা সে মালিককে বলল। মালিক বললো-
ঘড়ির দোকানের কর্মচারীর হাত থেকে একটা দামি ঘড়ি পড়ে গেল মেঝেতে। সেটা সে মালিককে বলল। মালিক বললো-
—ঘড়িটা কি থেমে গেছে?
—অবশ্যই। আপনি কি ভেবেছেন ওটা মেঝের কংক্রিট ফুটো করে আরো নিচে চলে যাবে?
—অবশ্যই। আপনি কি ভেবেছেন ওটা মেঝের কংক্রিট ফুটো করে আরো নিচে চলে যাবে?
২৪#
স্বর্গের দরজায় বেশ ভিড়। কী ব্যাপার! ওখানে একটা জায়গায় লম্বা একটা সিঁড়ি, সেই সিঁড়ি দিয়ে সবাই চক হাতে উঠছে আর উপরে উঠে একটা লম্বা দাগ নিয়ে নেমে আসছে।
—দাগ দিয়ে লাভ কী? একজন জানতে চায়।
—সব পাপ কাটা যায়, তারপর স্বর্গে ঢুকতে পারে। জানাল স্বর্গের রক্ষী। এই সময় এগিয়ে এলো বাংলাদেশের এক নেতা।
চক নিয়ে উঠে গেল লম্বা মই দিয়ে উপরের দিকে। কিছুক্ষণ পর নেমে এলো।
—হয়েছে আপনার? একজন এগিয়ে এলো।
—না, আরো চক লাগবে আমার। নিতে এসেছি।
স্বর্গের দরজায় বেশ ভিড়। কী ব্যাপার! ওখানে একটা জায়গায় লম্বা একটা সিঁড়ি, সেই সিঁড়ি দিয়ে সবাই চক হাতে উঠছে আর উপরে উঠে একটা লম্বা দাগ নিয়ে নেমে আসছে।
—দাগ দিয়ে লাভ কী? একজন জানতে চায়।
—সব পাপ কাটা যায়, তারপর স্বর্গে ঢুকতে পারে। জানাল স্বর্গের রক্ষী। এই সময় এগিয়ে এলো বাংলাদেশের এক নেতা।
চক নিয়ে উঠে গেল লম্বা মই দিয়ে উপরের দিকে। কিছুক্ষণ পর নেমে এলো।
—হয়েছে আপনার? একজন এগিয়ে এলো।
—না, আরো চক লাগবে আমার। নিতে এসেছি।
২৫#
মার্ক টোয়েন তার সততার একটা গল্প প্রায়ই বলতেন। গল্পটা এমন—
মার্ক টোয়েন তখন ছোট। একবার সে একটা তরমুজের গাড়ি থেকে একটা তরমুজ চুরি করলো। তারপর একটা লুকানো জায়গায় গিয়ে যেই তরমুজে কামড় দিতে গেলো, তখনই তার মনে হলো কাজটা ঠিক হচ্ছে না। তখন সে তরমুজটি তার মালিককে ফিরিয়ে দিলো (তবে ফিরে আসার সময় আগেরটার বদলে একটা পাকা তরমুজ নিয়ে এলো)!
মার্ক টোয়েন তার সততার একটা গল্প প্রায়ই বলতেন। গল্পটা এমন—
মার্ক টোয়েন তখন ছোট। একবার সে একটা তরমুজের গাড়ি থেকে একটা তরমুজ চুরি করলো। তারপর একটা লুকানো জায়গায় গিয়ে যেই তরমুজে কামড় দিতে গেলো, তখনই তার মনে হলো কাজটা ঠিক হচ্ছে না। তখন সে তরমুজটি তার মালিককে ফিরিয়ে দিলো (তবে ফিরে আসার সময় আগেরটার বদলে একটা পাকা তরমুজ নিয়ে এলো)!

কোন মন্তব্য নেই